মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন :
কান্দিউড়ার ধুলোবালি মেখে শৈশব হলো শুরু,
হৃদয়ে জাগলো লোকজ সুরের অমর এক সে গুরু।
গৌরাঙ্গ আর শেফালী রাণীর স্নেহের আলোকশিখা,
ভাটির দেশের রাখাল ছেলের ললাটে শিল্পের লিখা।
মা ও ছেলের 'জ্যোতি' হয়ে যে মঞ্চে দিলেন পা,
সেদিন থেকেই যাত্রা হলো তার আপন পরম গা।
পাঁচ শতাধিক মঞ্চ কাঁপানো অভিনয়ের জাদুতে,
শেঁকড় খুঁজলেন লোকসাহিত্যের গভীর মরমী ঋতুতে।
মসী আর মঞ্চ— দুই হাতে যার সমান পারদর্শিতা,
'দুঃখিনী বধূ'র গল্পে আঁকেন সমাজের বাস্তবতা।
'যাত্রানাট্যের তত্ত্বদর্শন' কিংবা 'আজও বাজে সেই কাঁকন',
কলমটা তার ঐতিহ্যের এক অতন্দ্র জাগরণ।
দীন শরতের মালজোড়া গান, সংস্কৃতির সেই পাঁচফোড়ন,
বিস্মৃত সব ইতিহাসকে করেন তিনি আলিঙ্গন।
২০২৬-এর বইমেলাতেও লোকজ রসে সিক্ত মন,
সংগ্রহে তার বেঁচে থাকে গ্রামীণ কৃষ্টির অমূল্য ধন।
কলম সৈনিক, নাট্যকার আর গবেষকের বেশে,
সুনাম কুড়ান কেন্দুয়া আর প্রিয় এই বাংলাদেশে।
সিলভার পেন আর শিল্পকলার সম্মানে আজ ধন্য,
রাখাল বিশ্বাস— শিল্পের পথে এক পথিক অনন্য।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্য করার জন্য আপনাকে স্বাগতম!